Sunday, December 10, 2017

Tears in Heaven

Written in tribute to our batch mate friend Azami's son Anas.

মানুষের মৃত্যু ব্যাপারটার সাথে আমি কখনোই ঠিক মত মানিয়ে নিতে পারি না। আমার জীবনে প্রথম দেখা মৃত্যু ছিল আমার দাদীর। উনি অসুস্থ্য ছিলেন, কিন্তু মরণব্যাধি ছিল না কোন। হঠাৎ করেই চলে গেলেন দাদী, ঈদ এর ১ মাস আগে। সময় সব কিছু ভুলিয়ে দেয়, কিন্তু আমি কেন জানি কিছুই ভুলতে পারছিলাম না।

আমার নানা নানু খুব কেদেছিলেন যখন আমার মামা চলে গেলেন। উনার ব্যাপারে আগেও লিখেছি। সম্ভবত দুনিয়াতে সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে বাবা মায়ের সামনে সন্তানের মৃত দেহ। আমি চাই না কেউ এ কষ্ট ভোগ করুক। আমি নিতে পারি না, সহ্য করতে পারি না। যখনি কোন শিশুর মৃত্যুর কথা শুনি, নিজেকে বড় স্বার্থপর মনে হয়। মনে হয় যেন আমার চেয়ে ওর বেঁচে থাকাটা অনেক বেশি জরুরী ছিল।

আজ হতে ১ বছর আগে। আমি গ্রুপে বেশি পোস্ট করি না, কিন্তু প্রচুর পোস্ট পড়তাম। কি হল বোঝার আগেই আমাদের বন্ধু আজামির ছেলে আনাস আমাদের কে ছেড়ে চলে গেল। প্রথমে শুনলাম অসুস্থ্য, তারপর হঠাত করেই শুনলাম ও নেই। তখন বাবা আজামি খুব সুন্দর ও আবেগী একটা লিখা দিয়েছিল। চোখের পানি আটকে রাখতে পারিনি সে লেখা পড়ে।

বিখ্যাত ব্লুজ গায়ক এরিক ক্ল্যাপটন আমাদের অনেক বড় বন্ধু। উনি জর্জ হ্যারিসন ও রবি শংকর এর সাথে কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ এ বাজিয়েছিলেন। উনার ৪ বছর বয়সি ছেলে কনর (Connor) মারা গিয়েছিল একটি দূর্ঘটনায়। অবুঝ বাচ্চাটা তার দাদীর সাথে দাদীর বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিল। সেই বাসা ছিল এক বিল্ডিং এর ৫৩ তলায়। জানালা দিয়ে পড়ে গিয়েছিল পাশের বিল্ডিং এর ছাদে :(

সে দুর্ঘটনার পর এরিক তার সবচেয়ে বিখ্যাত গান "টিয়ারস ইন হ্যাভেন" লিখেন।

গানটির থিম হচ্ছে "তুমি কি আমাকে চিনবে, আমি যদি স্বর্গে গিয়ে তোমার সাথে দেখা করি? কিন্ত আমি তো স্বর্গের যোগ্য নই এখনো, তাই আমাকে শক্ত হতে হবে, এবং জীবন চালিয়ে যেতে হবে যতদিন না দেখা হয় তোমার সাথে"

সবাই আনাস এর জন্য দোয়ার করছে, আমিও দোয়ার পাশাপাশি ওর জন্য এই গান টি উতসর্গ করলাম। আল্লাহ Azami ও তার পরিবারকে এই নিদারুণ শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি দিক।

Would you know my name
If I saw you in heaven?
Would it be the same
If I saw you in heaven?

I must be strong
And carry on
'Cause I know I don't belong
Here in heaven

Would you hold my hand
If I saw you in heaven?
Would you help me stand
If I saw you in heaven?

I'll find my way
Through night and day
'Cause I know I just can't stay
Here in heaven

Time can bring you down
Time can bend your knees
Time can break your heart
Have you begging please, begging please

Beyond the door
There's peace I'm sure
And I know there'll be no more
Tears in heaven

Would you know my name
If I saw you in heaven?
Would you be the same
If I saw you in heaven?

I must be strong
And carry on
'Cause I know I don't belong
Here in heaven

'Cause I know I don't belong
Here in heaven

https://youtu.be/JxPj3GAYYZ0

#ishtiaq_radical

Saturday, December 09, 2017

Introducing Eshaal Miranda Khan


What's in a name, they say? Well, I believe a name means a lot. The person who is getting the name not only embraces it for life, but she also attains certain characteristics from her given name. Or at least, parents hope she does. 

According to (http://quranicnames.com/eshaal/),  Eshaal is an indirect Quranic name that means “to kindle”, “to enliven”, “to excite”. However, there are other meanings, too, like "protected by the creator", "flower in the heaven", etc. 


The name Miranda was derived from Latin mirandus meaning "admirable, wonderful". The name was created by Shakespeare for a central character in his play 'The Tempest' (1611), 

So "Eshaal Miranda" means a) An admirable person who can enliven or b) Admirable heaven's flower. 

This album will tell us the story of Eshaal Miranda Khan, her parents, elder sister Mishel, family members and well wishers. 

She came to her proud parents and elder sister on 3rd December, 2017. 


Tuesday, December 05, 2017

সূর্য ডুবে গিয়েছে

আমি ছোট বেলা থেকেই হাল্কা লেখা লেখি কর। যদিও মাঝে অনেকদিন বন্ধ ছিল লিখা। প্রথম উল্লেখযোগ্য লিখা টি লিখেছিলাম ক্লাস ১ এ থাকতে। কেন উল্লেখযোগ্য, আর কেনই বা মনে আছে? লিখাটি ছিল ঘোড়া সংক্রান্ত। সে লিখায় আমার তৎকালীন শিক্ষীকা এতটাই আপ্লুত হয়েছিলেন যে ক্লাস ১ পাশ করার পর আমাকে সরাসরি ক্লাস ৩ তে উঠায় দেয়া হল। আমার যতদুর মনে পরে আমি ঘোড়া ঘাস খায়, তার চারটি পা এবং তাকে ছেড়ে দিলে সে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ায়--এগুলাই লিখেছিলাম, ইংরেজী তে। কে জানে কেন উনার এত ভাল লেগেছিল?

হু, সে যুগে এসব সম্ভব ছিল। ডাবল প্রমোশোন, কিংবা মায়ের কাছে হাতেখড়ি নিয়ে সরাসরি ক্লাস ওয়ানে স্কুল শুরু করা। আর আমার মেয়েকে পার হতে হচ্ছে প্লেগ্রুপ, নার্সারী, কেজি ১, কেজি ২, ইত্যাদি হাবিজাবি। আল্লাহই জানে আমরা আমাদের সন্তান দের জীবনে কি দূর্যোগ এনে দিচ্ছি! 

সৌদি আরব এর মদিনা শহরের কাছে দাম্মাম নামের একটা জায়গায় আমরা থাকতে থাকতেই খুলেছিল দূতাবাস স্কুল, এবং আমরাই ছিলাম ফার্স্ট ব্যাচ। এখন আর কোন আইডিয়া নাই সে স্কুল টিকে আছে কি না। গুগল এ খুঁজে কিছু পেলাম না। মজার ব্যাপার, এত বছরে একবারো এই সার্চিং টা করার ইচ্ছা জাগে নাই। 

তা যাই হোক, সেখানে দেড় বছর পড়ার পরেই আমার জীবনের সৌদি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। আব্বা চাকুরী তে ইস্তফা দিয়ে খাঁটি দেশপ্রেমিক এর মত দেশে ফিরে এলেন। দেশে এসে ক্লাশ ৩ এর অর্ধেক শেষ করলাম, আর তারপর সরকারী স্কুলে ক্লাস ৪ এ ভর্তি। একবারে এস এস সি পর্যন্ত ওখানেই। 

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে লিখতাম আইটি নিয়ে। তখন এপল ম্যাক জি ৪ নামক খুবই সুদর্শন কম্পিঊটার নিয়ে স্টিভ জবস এর কোম্পানী মাত্র ফিরে আসি আসি করছে। সেসময় দেশে কম্পিউটার কিংবা আইটি পত্রিকা বলতে ছিল কম্পিউটার বিচিত্রা, কম্পিউটার টাইমস সহ আরো কয়েকটি পত্রিকা। ইত্তেফাক এর আইটি পাতাও জনপ্রিয় ছিল। সাপ্তাহিক ২০০০ এও আইটি নিয়ে লেখা আসতো। 

আইটি সাংবাদিকতা তখন অনেকটাই বেঁচে ছিল বিদেশী ওয়েব সাইট এর লেখা অনুবাদ এর উপর ভিত্তি করে। 2000 সালের কথা। ওইটুকে বাগ নিয়ে উৎকণ্ঠা দূর হয়ে গেছে ততদিনে। 

এক সোনালী সন্ধায় কিছু স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষের সাথে পরিচয় হল, আমার ছোট মামার মাধ্যমে। আমার সেঝ মামা যদি হয়ে থাকেন সংগীত অনুরাগের অনুঘটক, তাহলে নিঃসন্দেহে ছোট মামা আমার লেখালেখির গুরু। 

এই স্বাপ্নিক দের স্বপ্নের সাথে একাত্নতা প্রকাশ করলো প্রখ্যাত মহিলাদের ম্যাগাজিন "অনন্যা"। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নিদ্দ্রিষ্ট  লক্ষ্য নিয়ে বের করা হল স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি বাংগ্লাদেশী মাসিক আইটি ম্যাগাজিন, যার নাম "অনন্যা কম্পিউটার টাইমস"। তখনো আমি ছাত্র, এবং নেই কোন হাত খরচ উপার্জনের উপায়। লেখালেখি সূত্রে একটি আয়ের উৎস তৈরি হল। 

পরবর্তি বেশ কিছুদিন আমি এই পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলাম। আমাকে মূলত নেয়া হয়েছিল ভিডিও গেমস রিভিউ  লেখার জন্য। আমার অতিরিক্ত ভিডিও গেমস অনুরাগের কথা তখন অনেকেই জানতো।তবে আমি অন্যান্য বিষয় নিয়েও লিখতাম। 

বেশিদিন চলেনি পত্রিকা, কিন্তু মজার ছিল জীবন টা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাশ শেষ করে চলে আসতাম মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড এ অবস্থিত অফিসে। অনন্যা ম্যাগাজিনের সাথে আমাদের অনেক শেয়ার্ড রিসোর্স ছিল। যিনি ফ্যাশান বিষয়ক লেখার প্রুফ রিড করেন, উনিই আবার আমার লিখা আনরিয়েল টুর্নামেন্ট গেম এর রিভিউ এর প্রুফ রিডিং করতেন। ফলে স্বভাবতই তৈরি হত অনেক টানা পোড়েন। আমি লিখলাম "অস্ত্র সংগ্রহ করে এগিয়ে যেতে হবে প্রতিপক্ষের ক্যাসেল এর দিকে", আর প্রুফ রিডার সেটাকে বানিয়ে দিত "হাতিয়ার গ্রুহণ করে অগ্রসর হতে হবে শত্রু পক্ষের দুর্গের অভিমুখে--হানা দিয়ে জয়ের মাল্য ছিনিয়ে নিয়ে আসতে হবে।"

২য়্ ভার্সান শুনতে যতই কাব্যিক লাগুক না কেন, আইটি পত্রিকার পাঠক, এবং বিশেষত যারা গেম রিভিউ এর টার্গেট, তারা এরকম ভাষা পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পরবে, সন্দেহাতীত ভাবে। কিন্ত কে বুঝাবে কাকে ? তারপরেও প্রায় ছয় মাস চলেছিল পত্রিকা; এর মধ্যে শেষ এর দুই মাস সম্পাদক ছিলেন একজন কবি(!) মানুষ, যার মতে হার্ডওয়্যার রিভিউ এর পাশে ফিলার হিসেবে মনীষিদের বাণী দেয়া উচিৎ! 

বহুদিন আগের কথা, কিন্তু মনে পরলে এখনো দেয়ালে মাথা ঠুকতে ইচ্ছা করে! পৃষ্ঠার এক পাশে জিটিএ ২ গেম এর চিট কোড, আর আরেক পাশে বড় করে লিখা "প্রত্যেক্টা মেয়ের বাবাই একজন প্রকৃতি প্রদত্ত ব্যাংকার"। 

এই বাণী কার, তা জানি না। 
এর মানে কি, তাও জানি না। 
ভাবসিলাম মেয়ের বাবা হইলে জানতে পারবো, 
তাও পারি নাই! 

তারপর আমার জীবনে ঘটে গেল অনেক গুলো ঘটনা। জীবন ৩৬০ ডিগ্রি উল্টে গেল। লেখালেখি গেল ব্যাকসিটে। অনেক ঝড় ঝাপ্টা সামলিয়ে ঢুকলাম চাকুরী তে। সেখানেও দেখলাম ভেজাল। গেঞ্জি কেনার টাকা জোগাড় করতে করতে লুংগী ছিড়ে যায় যায় অবস্থা, অগত্যা স্লিপিং ড্রেস কিনা শুরু করলাম। তা যাই হোক...

আরো বছর দুয়েক পরে, এক ইন্সপিরিশনাল মূহুর্তে লেখা শুরু করলাম একটি ইংরেজী উপন্যাস। তখন আমার একটি ব্লগ ছিল (এখনো আছে), সেখানে পর্ব হিসেবে পোস্ট করতাম একেকটি অধ্যায়। দুই একজন কাছের বন্ধু ছাড়া কেউ পড়তো না সেসব লিখা। এক সময় লিখে শেষ করলাম, মূলত সেই বন্ধুদের পীড়াপীড়িতেই। 

বহুদিন পার হয়ে গেল এরপরেও। হঠাত একদিন দেখলাম Monsoonletters নামের একটি ইংরেজী গল্প সংকলন  প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকেই, এবং তারা বাংলাদেশী লেখক দের কাছ থেকে লেখা আহ্ববান করছে। কিভাবে কিভাবে জানি আমার লেখাটা সেই পত্রিকায় প্রকাশিত হল। Kozmo Lounge নামের একটি রেস্তোরা ছিল তখন ধানমন্ডী তে। পত্রিকার লঞ্চিং অনুষ্ঠান ছিল ওখানে। 

সেদিন পরিচয় হল অনেকের সাথে, যাদের লেখাও প্রকাশিত হয়েছিল সেই সংখ্যায়। আমার লেখাটি ছিল সবচেয়ে বড়, পত্রিকার সম্পাদক আমাদের প্রিয় মেয়র আনিসুল হক এর স্ত্রি রুবানা হক আপা আমাকে বললেন যে "তোমার লেখাটা এত বড় যে এজন্য কয়েকজনের লেখা বাদ দিতে হয়েছে।" আমি অবাক হয়ে উনার কথা শুনলাম, আর কি বলবো তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিছু বলার আগেই উনি বল্লেন "কিন্তু আমি কিছুতেই তোমার লেখাটা বাদ দিতাম না। তোমার উচিৎ আরো বেশি করে লিখা"। 

এখন, এতদিন পরে এসে মনে হচ্ছে, আহা, উনার সাথে যদি আর ভাল পরিচয় থাকতো, তাইলে উনাকে বলতে পারতাম "আপা, আপনি একজন অসাধারণ মানুষের স্ত্রী ছিলেন, যিনি আমাদেরকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলেন"। 

RIP Mayor Annisul Huq , you will forever be in my mind. We didn't deserve you at all. 

"সুর্য ডুবে গিয়েছে"
#ishtiaq__radical

Sunday, November 19, 2017

A Sad Song not from a Swan

আমার জীবন অনেকগুলো আমূল পরিবর্তনের মদ্ধ্যে দিয়ে গিয়েছে। আজ হতে ২০ বছর আগে, ৬০ টাকা জমানো ছিল জীবনের একটি বড় উদ্দেশ্য--৬০ টাকা জমলে দুই টি সেবা প্রকাশনীর বই কিংবা একটি অডিও ক্যাসেট কিনতে পারতাম।

আমার জীবনে প্রথম কেনা ক্যাসেট টি ছিল নিলয় দাস এর সোলো এলবাম। কিন্ত একা কিনি নাই, আমি, আমার সেঝ মামা, ছোট মামা আর খালাতো ভাই --এই ৪ জনে মিলে চাঁদা তুলে কিনলাম। ক্যাসেট টি থাকতো সেঝ মামার কাছে কারণ উনি সিনিয়ার । আমরা সারাদিন বিভিন্ন বোর্ড গেম খেলতাম (দাবা, মনোপলি আর কখনো কখনো সাপ লুডূ/ক্যারাম) আর গান শুনতাম। সেঝ মামা খুব একটা অংশগ্রহণ করতেন না খেলায়, কিন্ত উনি আসে পাশেই থাকতেন যতদিন ঢাকায় ছিলেন। 

এক ক্যাসেট বাজাতে বাজাতে মোটামুটি সবগুলি গান মুখস্ত হয়ে গিয়েছিল।  সম্ভবত ৩ নাম্বার ট্র্যাক টি ছিল "সাগর ডেকে বলে"। আমরা এই গান শুরু হলে খেলা থামিয়ে মুগ্ধ হয়ে শুনতাম। এরপর ধিরে ধিরে আমরা নোভা, ফিডব্যাক, মাইলস, সোলস, এল আর বি, জেমস আর ওয়ারফেজে মজে গেলাম। সাথে ঝড়ের মত এল স্করপিয়ন্স, মেটালিকা, মেগাডেথ, বিটলস, রেইনবো, ডিপ পার্পল, ডায়ার স্ট্রেইটস, ড্রিম থিয়েটার, ইত্যাদি। গান শুনা ছাড়াও পড়তে থাকলাম হাজার হাজার বই, প্রকাশ্যে এবং গুপ্ত জায়গায়। তিন গোয়েন্দা, মাসুদ রানা, মাশুক নানা, বিদেশী বাবা, লিও টলস্টয়, মার্ক টোয়েন, বিটোভেন, হাইফেন, বিগ ব্যাংগ, ঝালমুড়ি আর মুড়ির টিন --সব চলতো এক সাথে। 

তারপর আমি মহামান্য স্পিকার হয়ে গেলাম...থুড়ি, আমি তো হুমায়ুন আহমেদ কিংবা জাফর ইকবাল না। আপ্নি/তুমি/তুই/গ্রপমেট/ব্যাচমেট/ফ্ল্যাটমেট , I am sure you didn't come here to read the "biogasgraphy" of a nobody like me. 

মূলত যেটা বলতে চাইছিলাম, সেটা হইল-- জীবন দুইদিনের। আমি তুমি আসলে কেউ না। ঘাসের উপর বৃষ্টির ফোটা, বাতাসে ধুলিকণা--আজকে আছি কালকে নাই। অনুশোচণা রেখে লাভ নাই। আজকে একজনের সাথে ঝগড়া হল, সেই ঝগড়া মেটানোর সময় টাও হয়তো পাওয়া যাবে না, যেমন অনেকেই পায় নি তার ব্রাউজার হিস্ট্রি ক্লিয়ার করার সময়। Jam Dutt , I mean যমদূত যখন আসবে, কোন এক্সট্রা টাইম পাওয়া যাবে না।

তো আমি একজন introvert. সারা জীবন তাই ছিলাম, এখনো আছি। আমাদের ব্যাপারে বলা হয় যে we draw energy from solidarity and large crowds and get togethers drain us. এ কথা আমি মনে প্রাণে মানি। 

এ কারণে আমাকে কোন গেট টুগেদারে সহজে দেখা যায় না। আত্নীয় স্বজনের বাড়ী গেলে এক চিপায় বসে মোবাইল টিপতে থাকি। ভয়ে ভয়ে থাকি কখন কে আমাকে "মেনশান" করে; প্রায়ই দেখা যায় রুমে পিন পতন নিরবতা আর সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে--তখন বুঝি রিসেন্টলি আমার দিকে কেউ একটি প্রশ্ন কিংবা মন্তব্য ছুঁড়ে দিয়েছে, যা আমি শুন্তেই পাই নি। 

অনেকেই জানে আমার দাদা ছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবি, এবং আমি পাকিস্তানি এবং তাদের সংগী সাথি দের সেভাবেই ভালবাসি যেভাবে একটি বেজী সাপ কে ভালবাসে। সো যখন কেউ বলে উঠে "আসলে শেখ মুজিব রাজাকার ছিল। সে ইয়াহিয়া খান এর সাথে আঁতাত করে বাংগালীর সর্বনাশ করে ফেলেছিল প্রায়। কি বল ইশতিয়াক?" , তখন কিংকর্তব্যবিমুড় হওয়া ছাড়া আর এক্টাই অপশান থাকে, সেটা হচ্ছে "মাননীয় স্পিকার, আমি ত দোচনা হয়ে গেলাম"।

এই যে! আবার বায়োগ্রাফি শুরু করেছি! কি যে হইসে আজকাল, নিজের কথা ছাড়া কিছু লিখতে পারি না। আমি যখন পরটা খেলাম ১, আমি যখন ভাত খাইতে গেলাম কিন্তু ডাল পাইলাম না ৪ -এইসব গল্প শুনাতে ইচ্ছা করে। ভুলেই যাই যে আমার বয়স এখনো ৪০ হয় নাই আর এই গ্রুপ আমার ব্যক্তিগত প্রচার চালানোর জায়গা না।

মরুভুমিতে ওয়েসিস বলে একটা জিনিশ দেখা যায়। অনেক দূর হাটার পর ছোট্ট জলাশয়। যারা মরুভুমি পাড়ি দেয়, তারাই এখানে থেমে পানি টানি খায়, রেস্ট টেস্ট নেয়, তারপর আবার যাত্রা শুরু করে। আকাশ থেকে এলিয়েন নেমে এসে পানি খেয়ে আবার ভেগে যায় না। ওয়েসিস এর সাথে থাকা নারিকেল গাছটির নাম ঠিক করার জন্য ঘুরতে এসে আবার ভেগে যায় না। মরুভুমি যাত্রা কঠিন কাজ, এভাবে হয় না।

হঠাত এই বয়সে এসে একটা নেশা লাগলো। মানুষ চিনতে হবে। পরিচিত হতে হবে অনেকের সাথে। ৯৬ ৯৮ গ্রুপ আমাকে সেই সুযোগ করে দিয়েছে। প্রতিদিন কারো না কারো সাথে কথা হচ্ছে, অনেক কে ভুলে যাচ্ছি, আবার মনে পড়ে যাচ্ছে কোন বিশেষ ঘটনার কারণে। 

চমৎকার একটি সপ্তাহান্ত গেল। NDC reunion এবং KBS Unplugged, এই দু'টি অনুষ্ঠানে গেলাম এবং চেষ্টা না করেই অনেক মজা করলাম। অনেকের সাথে দেখা হল, নতুন করে পরিচয় হল। NDC band এর গান শুনতে শুনতে মৃত্যু চিন্তা গ্রাস করলো আমাকে। আমাদের কলেজ পাস এর ১৯ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ১৯টি ফানুস উড়িয়ে মাত্র স্টেজের কাছে ফিরে এলাম। মনে পড়লো, আমার সেঝ মামা আজ হতে ১৭ বছর আগে মারা গিয়েছিল। 

কোরবানীর ঈদ এর পরের দিন। মামি আর ২ বছর বয়সী শিশু পুত্র কে রেখে মামা আগে চলে যাচ্ছেন তার কর্মক্ষেত্র সউদি আরবে। মামি রা ৩ দিন পরে যাবেন, এই ৩ দিনে মামা ঘর বাড়ী গুছিয়ে রাখবেন। এয়ারপোর্ট এ যাওয়ার আগে আমার সাথে মামার শেষ কথোপকথন ছিল এরকম

"ভাইগ্না, আমার ছেলেটা তো বোকা হিসেবে বড় হচ্ছে। কি করা যায়?"
"মামা, চিন্তা কইরেন না, ছোটবেলায় যারা বোকা থাকে তারা বড় হতে হতে চালাক হয়ে যায়"
"বলছিস?" 
"হা মামা, আমাকেই দেখেন?" 
"আচ্ছা ঠিক আসে। তাও একটু তোর ছোট ভাইটার খোজ খবর নিস মাঝে মাঝে"। 
"অবশ্যই নিব"

এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে গাড়ী ছেড়ে যাওয়ার আগে নিজের কোল থেকে শিশু সন্তান কে আমার কাছে দিয়ে দিলেন মামা। ও সহজে আমার কোলে আসে না, কিন্ত ওইদিন কোন আপত্তি করলো না। 

মামার গাড়ি রিয়াদ এয়ারপোর্ট এর পার্কিং এ রাখা ছিল। উনি প্লেন থেকে নেমে গাড়ী নিয়ে বাসায় ফেরার পথে মারাত্নক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। উনার বয়স ছিল মাত্র ৩৯। দেশ থেকে মায়ের হাতে রান্না করা কোরবানীর মাংশ নিয়ে গিয়েছিলেন। 

আবার বলি, জীবন দুইদিনের। 

Wednesday, November 08, 2017

Stand With Riaz

"রিয়াজ এর জন্য ভালবাসা"


যখন ছোট ছিলাম, উঁচু দালানের দিকে তাকালে ভয় লাগতো। মনে হত, এত গুলো সিঁড়ি ভেঙ্গে উঠবো কিভাবে?

আরেকটু বড় হলে ভয় পেতাম মোটা মোটা পাঠ্য বই। প্রত্যেক বছরের শুরুতে বইগুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হত, এত কিছু কখন পড়বো?

বন্ধু দের সাথে একবার গিয়েছিলাম বান্দরবন। বগা লেক নামের একটা স্বর্গীয় জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা। ছোট একটা টিলায় হেঁটে উঠা লেগেছিল, তখনো সেখানে গাড়ি যাওয়ার রাস্তা হয়নি। লম্বা, খাঁড়া পথ বেয়ে উঠতে উঠতে মনে হয়েছিল মরেই যাব ক্লান্তিতে। মোটা, আনফিট শরীর নিয়েও উঠতে পেয়েছিলাম বন্ধুদের অনুপ্রেরণায় এবং নিজ মনোবলে। প্রায় পড়েই যাচ্ছিলাম কয়েকবার, বন্ধুরা টেনে তুল্লো।

ইন্টারেস্টিং গল্পের বই ৬০০ পেজ হলেও পড়তে কষ্ট হয় না। সাথে বন্ধুরা থাকলে ১০ কিঃমিঃ পথ ও যেন ৫ মিনিটে শেষ হয়ে যায়। কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে ৩ তালা থেকে দৌড়ে ১৩ তালায় যাওয়া যায়, আবার ১৩ থেকে হেটে নামতাম গ্রাউন্ড ফ্লোরে। সবই ইচ্ছা শক্তি, মনের জোর আর স্বদিচ্ছার উপর নির্ভর করে।

প্রিয় লেখক পাওলো কোয়েলহো'র উপন্যাস এল্কেমিস্ট থেকে একটা লাইন ধার করিঃ

“And, when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.”

সহজ মানে হচ্ছে, যখন কেউ মন থেকে কিছু চায়, সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড তাকে সাহায্য করে তা পেতে। আমরা সবাই চেয়েছি বন্ধু রিয়াজ কামাল সুস্থ্য হয়ে যাক, এবং এই চাওয়াটা কাজে রুপান্তরিত হতেও বেশি সমস্যা হবে না আশা করছি। 

প্রথমে মনে হল ৫০ লক্ষ টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। পরে জানতে পারলাম আমাদের দায়িত্ব ২৫ লক্ষ জোগাড় করা। অভি আরো সহজ করে দিল। ৭০০ সদস্য প্রত্যেকে ২০০০ করে দিয়ে ১৪ লক্ষ জোগাড় করলেই কাজ হবে। 

সাই ফাই গল্পের উপন্যাস পড়ার মত একেকটি পাতা উল্টাতে লাগলো দ্রুত। কিবরিয়া ও তরুর ব্যস্ততা কমেই না। এক বন্ধুর কাছ থেকে অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে না করতেও আরো ৫ জনের কাছ থেকে বিকাশ ও ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার হাজির। এ যেন এক মধুর সমস্যা। 

রিয়াজ, তোমাকে আমরা ভালবাসি, তোমার জন্য আমরা অনেক কেয়ার করি। কারণ তুমি তো আমাদেরই প্রতিবিম্ব। তোমার জীবন টা আমাদের যে কারো হতে পারতো, এবং আগামীতে আমাদেরো একই ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে। আমরা চাই আল্লাহ তোমাকে দ্রুত সুস্থ্যতা দান করুক, আর তুমি আমাদের মাঝে ফিরে আস। আমিও চাই জীতুর মত তোমার মেয়ের বিয়েতে রোস্ট খেতে।  

বন্ধুত্ত আর প্রবল ইচ্ছাশক্তি যখন একত্রে কাজ করে, ঠেকায় কার সাধ্য? 

"If I fall along the way
Pick me up and dust me off
And if I get too tired to make it
Be my breath so I can walk

If I need some other love, then
Give me more than I can stand
And when my smile gets old and faded
Wait around I'll smile again

Shouldn't be so complicated
Just hold me and then
Oh, just hold me again"

Don't worry friend, we will hold your hand. We will make you stronger than ever. 

And we #Stand_With_Riaz
#ishtiaq_radical 


Wednesday, October 25, 2017

ক্যাফেইনিত ইন্টার্ন

কফির সাথে আমার ভালোবাসা টা হঠাত করেই হয়েছিল। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করে বের হয়ে জয়েন করলাম একটি বহুজাতিক সংস্থায় ইন্টার্ণ হিসেবে। সেই ৩ মাসে কফি খাওয়ার অভ্যাস হল। সে প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্ন দের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ ছিল চোখে পড়ার মত। তবে সঠিক করে বলতে গেলে, আমাদের (আমি ছাড়াও আর ২ জন ছিলেন) অস্তিত্ত্ব কে মোটামুটি অগ্রাহ্য করা হত, যা ছিল রুঢ় আচরণের চেয়েও মর্মান্তিক।

আমরা প্রথম প্রথম একটু দূঃখ পেলেও আস্তে আস্তে মানিয়ে নিয়েছিলাম ব্যাপারটির সঙ্গে। আমরা তৈরি করে নিয়েছিলাম আমাদের নিজেদের জগত। কাজের ফাঁকে ফাঁকে চলতো জম্পেশ আড্ডা আর কফি খাওয়া।

ইন্টার্ন দের তেমন কোন সু্যোগ সুবিধা দেয়া হত না, কিন্ত আমরা ফ্রি কফি খেতে পারতাম। মেশিনের কফি, কিংবা নিজ হাতে বানিয়ে নেয়া কফি। কিচেন কাম রান্নাঘর ছিল একটা, সেখানে কফি বিন্স, কফি মেট, গুড়া দুধ, চিনি ইত্যাদি রাখা থাকতো, এবং সবাই দিন ভর কফি বানিয়ে বানিয়ে পান করতো।

আমাদের কাজ ছিল সেই ব্যাঙ্ক এর সকল কাস্টোমার কে কল করে করে তাদের ইমেইল এড্রেস সংগ্রহ করা। তখন ২০০৩ সাল, মানুষ অত ইন্টার্নেট নির্ভর হয় নি। ফেসবুক এর জন্ম হয় নি তখনো। সুতরাং আমাদের কাজ ও ছিল অনেক কঠিন।

প্রথমত, কোন এর কারণে সেই ব্যাঙ্ক এর উপর তাদের গ্রাহকগণ অনেক ক্ষিপ্ত ছিলেন। অনেকেই "ওহ, তুমি "চোরা" ব্যাঙ্ক থেকে ফোন করসো? দাড়াও আজকে তোমার খবর করতেসি" মোডে চলে যেতেন সহজেই। অনেক ঝাড়ি টাড়ি শুনে যখন বলতাম, "দুঃখিত, আমি একজন সামান্য ইন্টার্ন, আপনার অভিযোগ সমূহ দয়া করে লিখিত ভাবে ব্র্যাঞ্চ এ এসে দিয়ে যান"--তখন অনেকেই মুখের উপর রিসিভার রেখে দিত।

আবার অনেকে অনেক গল্পও করতো। একজন ভদ্রলোক খুব বিনয়ের সাথে বললেন "ভাই এতদিন এই ব্যাঙ্কে একাউন্ট আছে, আপনিই প্রথম ফোন দিলেন"। আরেকজন বললেন "ভাই আমার তো ইমেল নাই, কিন্ত আমার মেয়ের আছে। মেয়েরটা নেন--চিয়ারফুল সাদিয়া এট হটমেইল ডট কম।" নিজের সাথে কিচ্ছুক্ষন যুদ্ধ করতে হয়েছিল সেই হাসি খুশী সাদিয়া কে এম এস এন মেসেঞ্জারে এড করা থেকে বিরত রাখতে!

আরেকজন রিতিমত জেরা শুরু করেছিলেন। ব্যাঙ্ক এর এমডির নাম কি? ট্রেজারির হেড কে? মার্কেটিং এর হেড কে? ইত্যাদি ইত্যাদি। কারণ? আমি যে ব্যাংক থেকে ফোন করেছি, সেটার প্রমাণ কি? গলদ্ঘর্ম হয়ে কোন মতে উত্তর দিয়েছিলাম সব গুলো প্রশ্নের।

এ প্রসঙ্গে বলে দেয়া উচিৎ যে আমাদেরকে সিটিসেল এর মোবাইল সরবরাহ করা হয়েছিল কল গুলো করার জন্য, তাই পিএবিএক্স এর হোল্ডিং টোন শুনিয়ে প্রমাণ করার কোন উপায় ছিল না যে আমরা ব্যাংক থেকে কল করেছি!

যাদেরকে কল করতে হবে, তাদের নাম ঠিকানা ও ফোন নাম্বার দেয়া থাকতো লিস্ট এ। এক বার দেখলাম এক ভদ্রমহিলার ঠিকানা দেয়া আছে সোনারগাঁও হোটেল এর একটি রুম নাম্বার। ২২ বছরে সঞ্চিত সকল সারল্য কে সম্বল করে বস কে প্রশ্ন করলাম "ভাইয়া, এই আপুটা কি হোটেলেই থাকে?" বস কট্মট করে তাকিয়ে ছিল কিছুক্ষন, উদ্ধার করলেন ডিপার্ট্মেন্ট এর আরেকটা ভাইয়া। "বুঝ না কেন এই এড্রেস দিসে?"

লজ্জায় কান টান লাল করে বাকি দিন পার করলাম। সাথের দুইজন সারাক্ষন এই ব্যাপারটা নিয়ে আমাকে টিজ করতে থাকলো।

আরেকবার লিস্টে পেলাম ইউনিভার্সিটির এক "খাটাশ" টাইপ সার কে। ভার্সিটি তে তিনি কোন ছেলেকে "ছেমড়া" ছাড়া অন্য কোন সম্ভাষণে ডাকতেন না। মেয়েরা অবশ্য "মামণী" ডাক শুনতো। সার কে ফোন দিলাম ভয়ে ভয়ে। এমন মধুর আর অমায়িক ব্যাবহার করলেন যে আমি অবাক হয়ে আর নিজের পরিচয় দিলাম না!

আরেকবার পেলাম ভার্সিটির এক সুকন্ঠী কে, যে দেখতেও ছিল অনেক আধুনিক। জীবনেও তার সাথে সামনা সামনি কথা বলার সাহস পাই নাই! ফোনে তার 'মেরিকান এক্সেন্ট শুনে বিশেষ প্রীত হলাম। কয়দিন আগে একজনের গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত শুনে বহুদিন আগে শুনা সেই কন্ঠ মনে পড়ে গেল।

একজন কাস্টোমার কে ফোন করলেই "ভয়েস মেইল" এ কল চলে যেত। "অমুক এখন আপনার ফোন রিসিভ করতে পারছেন না, দয়া করে জরুরী বার্তা রেকর্ড করুন"। তো আমি যথাযথ সিরিয়াস ভঙ্গী তে বললাম "একটি বিশেষ জরুরী কারণে অমুক ব্যাঙ্ক আপনার সাথে যোগাযোগ করছে। এই মেসেজ টি পাওয়া মাত্র যোগাযোগ করুন"।

প্রায় ২/৩ মিনিটের মাথায় ঐ নাম্বার থেকে কল এল। একজন বললেন যে উনি ওই ভদ্রলোকের ম্যানেজার,
"স্যার" বিদেশে। উনি যেই বড় অঙ্কের ডিপোজিট টা আশা করছিলেন, সেটা কি এসেছে? আমি থতমত খেয়ে বললাম "ইমেইল"। উত্তর এল আরে ভাই আমাদের স্যার মেল নিয়ে ডিল করে না, ফিমেল এর কোন কাহিনী থাকলে বলেন! আমি বললাম "ইমেল এড্রেস দেন"। ওপাশে কিছুক্ষন নিরবতা, তারপর উত্তর এল "ইমেল ছাড়া টাকা আসবে না?"। ততক্ষনে আমি নিজেকে ফিরে পেয়েছি। বললাম আমরা আমাদের ডাটাবেস আপডেট করছি, এজন্য ইমেল এড্রেস লাগবে।

উত্তরে সেই ম্যানেজার ইমেল এর মাতার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন সংক্রান্ত পরিকল্পনার কথা বলে অভদ্রের মত ফোন টা রেখে দিলেন।

আমাদেরকে বিশাল একটি নাম্বার লিস্ট ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল--টার্গেট ছিল ৩ মাসের মদ্ধ্যে সবার ইমেইল কালেক্ট করা লাগবে। আমরা ৩ জন বেশ ভাল ভাবেই সফল হয়েছিলাম সেই কাজে। প্রায় ৮৫-৯০ ভাগ এড্রেস সংগৃহীত হয়েছিল। সেসব এড্রেস জুড়ে দেয়া হয়েছিল তাদের ইমেল মার্কেটিং টুল এর মদ্ধ্যে।

সেই ৩ মাসের অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে যা পরবর্তীকালে আমার চাকুরী জীবনে অনেক সাহায্য করেছে। এরপর আর আমাকে কখনো সরাসরি কাস্টমার হ্যান্ডেল করতে হয়নি, কিন্তু যারা করে থাকে, তাদের প্রতি জন্মেছে গভীর শ্রদ্ধা।

Monday, June 19, 2017

What was your most unprofessional moment?

Written for Quora.com in response to "What was your most unprofessional moment?"


I will share two stories from my first job.

This was back in 2003. I was a fresh graduate from a top business school in my country, and I got delighted to get a job in one of the top companies.

My boss was a horrible woman. She still is, but I am glad that I am miles away from her influence sphere now.

She had this particular management style of making fun of young employees and attacking them at their vulnerable points. She once pointed out that as I belonged to a middle class family, if she hadn’t hired me, I’d be roaming around the streets like a vagabond. That was not even the worst thing she said to me.

I had a regular responsibility of updating a very boring and useless document. Everyone in the team found the exercise to be boring and non-contributing, but she still insisted that I present it on the weekly team meetings (read team grindings).

So one week, I just didn’t get the report done. Looking back, I can’t really tell what motivated me to get so rebellious, but instead of completing the report by Thursday evening, I took an early out, went home and played some Sims 2 on the PC. I totally forgot about this until Sunday arrived (we have Fri and Sat as weekends).

I entered the office and remembered about not doing the report. I didn’t bother, and just went in to the meeting.

After grinding a few guys for not so urgent issues, she shifted her attention to me and asked to share the update. I just blurted out “I haven’t updated it”. She went in to an instant fit of fury, and literally shouted “WHY?”. I mustered the calmest voice I could ever produce, and said “Because I did not feel like doing it”.

The answer was so outrageously unprofessional and incredible, that everyone got silent. She searched for the right words, and after a while, told me to just update it after the meeting.

Later on, after the meeting, some of my seniors in the team confronted me. I was the youngest member and we were a close knit team; as in, everyone was united due to having a common enemy. So this senior lady, who was a sister figure to me, told me that she was very upset with my attitude, but also glad that I gave her a piece of my mind.

I felt proud then, but looking back, I realize that I should not have done that.

On another occasion, she gave me another boring task which was taking ages to complete because of her incessant revisions and changes in the scope of work. When I came up with the 18th version (yes, I had all versions saved separately) of the presentation, she came up with some totally new perspective, which meant I had to run a new set of numbers to get the figures updated.

I fiddled with the revised requirements, but could not find any way to fit them in unless I totally changed the presentation.

I didn’t do it, and showed her a slightly modified 19th edition.

She was furious, as usual, and asked me “Is this the best output you could show me?”.

Once again, my arrogant self replied “Yes, I don’t see any way to improve this without changing the document totally”.

She said “So you are confessing that your dimwitted brain cannot produce anything better than this?”.
I replied “Yes, you got that right”.

She didn’t say anything further, and I left the job within the next couple of months.

Tuesday, May 09, 2017

একজন নিতম্বের ফুটা এবং একটি লিফট

কেতাদুরস্ত অফিসিয়াল সাজে উনি উদ্ধত এবং গর্বিত। কানে লেটেস্ট মডেল এর মোবাইল, পিঠে ঝোলানো ভারী চামড়ার ব্যাগ। ভিতরে সম্ভবত দামী ল্যাপ্টপ। ফোনে অতীব জরুরী কোন আলাপ সারতে সারতে ঢুকলেন তিনি লিফট এর ভেতর।

প্রথমেই ওনার ব্যাগ এর আঘাতে ঘায়েল হলেন এক ভদ্রলোক। সে ঘটনা সামলে ওঠার আগেই উনি সজোরে ব্যাগটি নামিয়ে রাখলেন মাটিতে। এ কাজটি করলেন এক হাতে; আরেক হাত তখনো কানে লাগানো।

বিধিবাম! কনুই এর গুঁতো খেলেন আরেক ভদ্রমহিলা। লিফটে অনেক মানুষ, তা ১৫ জন তো হবেই। কিন্তু জনাব ব্যস্ত নিতম্বের ফুঁটোর তাতে কোন ভ্রঃক্ষেপ নেই। উনি তো ব্যস্ত। ফোনে আছেন। নার সাত খুন মাফ। বাকিদের দায়িত্ত্ব ফুটা কে তার মত থাকতে দেয়ার। কোন আহত মহিলা কিংবা ব্যথিত মদ্ধবয়সির রাগান্বিত চেহারার দিকে তাকানোর সময় তার কাছে নেই।

সহসা পেছন থেকে এল ধাক্কা। হাত থেকে খসে গেল নিতম্ব ফূটার প্রিয় ফোন খানা। ছড়িয়ে গেল ১৫-২০টি টুকরোর মাঝে সহস্র সুখ দুঃখ। ৮ আনা বিরক্তি ও ৮ আনা অবিশ্বাস নিয়ে তিনি তাকালেন নিষ্ঠুর দুনিয়ার প্রতিনিধি দের দিকে। কেউ তাকে এক্টুও পাত্তা দিল না।

রাগী চেহারা দেখিয়ে, নাম না জানা শত মানুষের প্রতি অভিসম্পাত ছুড়ে দিয়ে গজ গজ করতে করতে তিনি নিজ পথে চলে গেলেন। তিনি একজন নিতম্বের ফুঁটা।

Jorah Mormont

উনার নাম স্যার জোরাহ মরমন্ট। উনি সুপ্রসিদ্ধ ইংরেজী ধারাবাহিক "গেম অফ থ্রোন্স"এর একজন গুরুত্তপুর্ণ চরিত্র। সিংহাসন দখলের খেলায় ভরপুর এই সিরিজে অসংখ্য রাজা বাদশাহর ছড়াছড়ি। তাদের নামের সাথে "ড্রাগনমাতা", "এক চোখা বৃক্ষ" ইত্যাদি সব চটকদার টাইটেল। রাজাদের মদ্ধ্যে "উত্তরের রাজা", "সাদা হাটিয়ে দের সর্দার" প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।

কিন্তু সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন শ্রদ্ধেয় জোরা মরমন্ট। উনি উনার ক্রাশ দের সাথে বন্ধুত্তপুর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে পারদর্শিতার কারনে "King of friendzone" নামে পরিচিত।

উনার এই মহামুল্যবান টাইটেলটি ছিনিয়ে নেয়ার জন্য পুরো ওয়েস্টারোস এ একটিও জীবিত আত্মা পাওয়া যায়নি এ পর্যন্ত!

বন্ধু জোনের রাজার জয় হোক।

Thursday, April 06, 2017

What's so Special About The Beatles?





Well, everything is great about The Beatles. Statistics and articles apart, for me, the music of Beatles means a lot. Before getting introduced to their music, I was mostly a hard rock/heavy metal music fan. I would admire the music of Metallica, Scorpions, Black Sabbath, Dream Theater, etc. bands because of their musical prowess (primarily) and the somewhat rebellious lyrics.

But Beatles changed it all. For the first time in my life, I understood that a band of four young people can create a lot of impact through simple tunes and even simpler lyrics. 

1. 
"Black bird singing in the dead of night, 
Take these broken wings and learn to fly
All your life
You were only waiting for this moment to arise"

Is it just a song about a black bird? Or is it about a person who never got an opportunity to rise because he had "broken wings"? 

2.
"If I were you, I'd realize that I
Love you more, than any other guy"

What a clever way of expressing love towards a woman...these lines always cracked me up. 

3.
You're asking me will my love grow
I don't know, I don't know
You stick around now it may show
I don't know, I don't know

Today's love may turn in to tomorrow's hatred, or it can also intensify by leaps and bounds. Listening to this great song won't give you an iota of indication that something other than the purest expression of love is in it. 

4.
She's the kind of girl 
you want so much it makes you sorry
Still you don't regret a single day
Ah, girl, Girl, girl

Don't we all know that girl whom we always admired but never got the chance to go near?

5.
I have to admit it's getting better
A little better all the time
Getting so much better all the time

The feel good songs. Nothing can cheer me up more than a little dose of Beatles. No matter how tough things are, it should always get better. 

There are so many other examples. Actually, I can relate to each and every Beatles song. Everyone tells a story, and everyone can relate to those stories in their unique manner. The interpretation of the songs also change from person to person. 

When I heard A Hard Day's Night back in 1996, I found the line "working like a dog" very amusing. I was a high school student then. Now in 2012, I exactly know what working like a dog means, and how meaningful and fulfilling it is to be in the arms of my life after getting back home from a tough day at work. 

The music of Beatles keeps inspiring me, and it also makes me live another day to get rid of depression and struggles. 

That is what is so great about Beatles.